| “এই যজ্ঞের অর্থ হলো ভগবানকে সন্তুষ্ট করা। যজ্ঞার্থে কর্ম। সুতরাং যখন এই যজ্ঞকে আমরা ভুলে যাই, তখন সবকিছুই বিশৃঙ্খল হয়ে যায়। যখন মানুষ ঈশ্বরবিমুখ হয়ে যায়, তখন পুরো ব্যবস্থাই অশান্ত হয়ে পড়ে। এটা বাস্তব জীবনেও দেখা যায়। যেমন, যদি তুমি আয়কর দাও, তাহলে সরকারের পুরো ব্যবস্থা সুন্দরভাবে চলে। কিন্তু যদি আয়কর দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়, তখন পুরো ব্যবস্থা—অর্থনীতি—সবকিছুতেই ঘাটতি দেখা দেয়: অর্থের অভাব, নানা সমস্যা—এই, সেই—অনেক কিছু। সুতরাং যজ্ঞই হলো—যজ্ঞার্থে কর্মণোন্যত্র। সবকিছুই যজ্ঞের জন্য করা উচিত, অর্থাৎ বিষ্ণুর জন্য। তাহলে সবকিছু ঠিকঠাক থাকে। কলিযুগে অন্যান্য ব্যয়বহুল যজ্ঞ করা সম্ভব নয়। তাই বলা হয়েছে— ‘যজ্ঞৈঃ সংকীর্তন-প্রায়ৈঃ’—সংকীর্তন যজ্ঞ। কিন্তু এই মূর্খ লোকেরা তা গ্রহণ করবে না। যদি তুমি বলো—‘এই সহজ যজ্ঞটি গ্রহণ করো। হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করো। সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে’—তারা বিশ্বাস করবে না। তারা গ্রহণ করবে না। তারা এতটাই দুর্ভাগা।”
|