| “চৈতন্য আন্দোলন মানেই কৃষ্ণ আন্দোলন। কৃষ্ণ-বর্ণম—অর্থাৎ কেবল কৃষ্ণের কথাই বর্ণনা করা। সেটাই ছিল তাঁর কার্য। এইভাবে, যখন কেউ কৃষ্ণকে বোঝার চেষ্টা করে… সম্পূর্ণভাবে নয়। কৃষ্ণকে সম্পূর্ণভাবে বোঝা সম্ভব নয়। সেটা সম্ভবই নয়। এমনকি কৃষ্ণ নিজেও নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারেন না—তিনি এতই মহান। এটাই মহত্ত্ব—‘ভগবান মহান’। ভগবান এতই মহান যে তিনি নিজেও কত মহান, সেটাও পুরোপুরি বুঝতে পারেন না। এটাই ঈশ্বরত্ব। কেউই তাঁকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারে না। তবে যতটা সম্ভব, আমরা শাস্ত্রের মাধ্যমে বুঝতে পারি—সাধু, শাস্ত্র, গুরু—এই তিনটি প্রমাণের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি এবং সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে কৃষ্ণই পরম পুরুষোত্তম ভগবান।”
|